বাংলা-ভাষার উতপত্তি-নির্দেশক ‘ভাষা-প্রকল্প’ ও ‘যুগ-বিভাগে’র যৌক্তিকতা
Abstract
বাঙালা ভাষা ও সাহিত্যের উচ্চতর ডিগ্রীওয়ালা ব্যক্তি-মাত্রেই জানেন; দুনিয়ার তাবৎ ভাষা-কওমের (ভাষা-গোষ্ঠীর) পয়দা হ'য়েছে- 'ইন্দো-ইউরোপীয় মূল ভাষা' নামক কোন এক ভাষা থেকে। বলা দরকার, এটি একটি কাল্পনিক ভাষা- প্রকল্পের নাম। আজকের আমেরিকান-বিশ্বায়নের মত ১৮-১৯ শতকের বৃটিশ-বিশ্বায়নের স্বার্থে একটা আন্তর্জাতিক কালাচারাল ফাউণ্ডেশন তৈরীর প্রয়োজনেই সেকালে এই ভাষা-প্রকল্প গ'ড়ে তোলা হয়; যার ভিত্তিতে এখন টান প'ড়েছে। কেননা, "ইন্দো-ইউরোপীয় মূলভাষা" প্রকল্পটাই কাল্পনিক। তা চালু হয়, ইউরোপীয়দের দিয়ে 'ইন্দোস্তান' (Indoostan) বা হিন্দুস্তান (যা পরে, আরও ব'দলে হিন্দুয়া বা হিন্দিয়া থেকে ইণ্ডিয়া রূপ ধারণ করে এবং এখন সে মুল্লুক 'ভারত' নামে পরিচিত) কব্জা করার পর। ১৮-১৯ শতকে। নামের মধ্যেই যে, একটা চোস্ত দোস্তি পাতাবার কুস্তি-কোশেশ আছে, তা একটু খেয়াল ক'রলেই বোঝা যায়। এজন্য আগে 'ইন্দো-ইউরোপীয় মূল ভাষা'-যাকে ইংরেজীতে 'ইন্দো- ইউরোপীয় প্যারেন্ট স্পীচ্' (Indo-European Parent Speech) বলা হয়, তার অর্থ ও তাৎপর্য বোঝা দরকার।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 2024 সাহিত্য পত্রিকা

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.