রাখালী : লোকজ মননের পুনর্বয়ন

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v47i3.10
Crossmark

Authors

Abstract

বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন সাহিত্যিক মূল্যসমৃদ্ধ চর্যাপদে বৌদ্ধ সহজিয়াদের সাধনভজনের সঙ্গে সমন্বিত হয়েছে বাস্তব লোকজ জীবন ও উচ্চমানের গীতিময়তা। বড়ু চণ্ডীদাসের হাতে, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য, রাধাকৃষ্ণের লীলা ধর্মের মাহাত্ম্য ছাপিয়ে গোয়ালা সম্প্রদায়ের জীবনাচরণের ছবিতে পরিণত হয়েছে। মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ ও শেষ কবি ভারতচন্দ্রের ঈশ্বরী পাটনীর জীবনাভাস সে কালের লোকজ জীবনেরই বহিঃপ্রকাশ। আঠারো শতকের কবিগানে সমকালীন সমাজের তথা লোকজীবনের চিত্র না মিললেও সে কালের লোকজ রুচির পরিচয় তাতে ফুটে উঠেছে। অবশ্য পল্লীগীতিতে অথবা লোককাহিনীগুলোতে লোকজ জীবন ও মননের প্রতিফলন সব সময়ই চলছিল। মধ্যযুগে কবিতা ও গান ছিল সমার্থক। আধুনিক যুগের কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তই (১৮২৪-৭৩) গান থেকে কবিতাকে আলাদা করে ফেললেন। ইউরোপীয় সংস্কৃতির প্রভাবে উনিশ শতকে শিক্ষিত বাঙালিদের মধ্যে এক ধরনের রেনেসাঁসের অনুভূতির জন্ম হয়। অনেকটা তারই যেন মানসপুত্র ছিলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। মাইকেল আধুনিক কবিতায় বিষয়ের সঙ্গে আঙ্গিকের বিপ্লব ঘটিয়েছেন। তাঁর নাট্যকর্মে গ্রামের সাধারণ মানুষের মুখের ভাষা তিনি ব্যবহার করেছেন নির্দ্বিধায় এর পর বাংলা কাব্যে আগমন ঘটে আধুনিক গীতিকবিতার ধারা-স্রষ্টা 'ভোরের পাখি' বিহারীলাল চক্রবর্তীর (১৮৩৫-৯৪)। পরবর্তী বহু কবির দ্বারা এই ধারাটি হয়েছে সমৃদ্ধ।

উপরের যেকোনো বিকল্প বেছে নিন

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.
cover

Published

2006-06-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

রাখালী : লোকজ মননের পুনর্বয়ন. (2006). সাহিত্য পত্রিকা, 47(3), 165-176. https://doi.org/10.62328/sp.v47i3.10

একই বিষয়ের আরও নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…

এই লেখকের অন্যান্য নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
0%