জীবনচিত্র : কর্ণফুলী
Abstract
আলাউদ্দীন আল আজাদ 'কর্ণফুলী' উপন্যাসে 'চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের দরিদ্র মানুষের জীবন কাহিনী উপস্থাপন করেছেন। নদী ‘কর্ণফুলী'র জন্ম আসামের লুসাই পাহাড়ে পাহাড়ী অঞ্চলে এর নাম ক্যিউসা-থিয়াং। এই পাহাড়ী নদীটির গতি- প্রকৃতি বাংলাদেশের অন্যান্য নদী থেকে আলাদা। উৎপত্তির পর আসাম দিয়ে প্রবাহিত হয়ে এটি রাঙামাটির উজানে বরকলের কিছু উত্তরে পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রবেশ করেছে । এর পর দিক পরিবর্তন করে দক্ষিণ-পশ্চিমমুখী হয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলার ভেতর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। ‘কর্ণফুলী নদী প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, 'চট্টগ্রাম প্রকৃতির লীলাভূমি। ...পাহাড়, প্রান্তর, নদী, ঝর্ণা, হ্রদ, সমুদ্র গিরিপথ বা ডালা এসবের এমন সুন্দর সমাবেশ আর কোথাও এমন হয়েছে কি না সন্দেহ। ‘অনুরূপ বলেছেন অন্য আরও একজন লেখক, 'প্রকৃতির লীলাভূমি চট্টগ্রামের নদী এই কর্ণফুলী। পাহাড়, প্রান্তর, ঝর্ণা, হ্রদ, গিরিপথ এই এলাকাকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছে। কর্ণফুলী ও চট্টগ্রামের পাহাড়ী জীবনকে নিয়ে লেখা হয়েছে কতো গল্প কাহিনী।৬ কর্ণফুলী নদীকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে অনেক সাহিত্যকর্ম। সৃষ্ট এ সব সাহিত্যকর্মে চট্টগ্রামের প্রকৃতির মতো সেখানকার মানুষদের জীবনাচরণও স্থান পেয়েছে সমানভাবে।
Downloads
Downloads