সমরেশ বসুর গঙ্গা : মাছমারাদের জীবনকাহিনী
Abstract
গঙ্গা সমরেশ বসুর (১৯২৪-১৯৮৮) প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতাজাত উপন্যাস : পদ্মানদীর মাঝির (১৯৩৬) রোমান্টিক ভাবপ্রবণতা আর তিতাস একটি নদীর নামের (১৯৫৬) কবিত্বময় নির্লিপ্তির সমান্তরালে গঙ্গা যুক্ত করেছে নদীজীবনের আরেক তরঙ্গসঙ্কুল মাত্রা। এ-উপন্যাসে মানবজীবনপ্রবাহের সঙ্গে নদীজীবনের যোগ অবিচ্ছেদ্য গঙ্গাতীরবর্তী আতপুরের তরফদারপাড়ায় বসবাসকালে কেবল গঙ্গা নদীই নয়, এতদঞ্চলের ‘মাছমারা” দের সঙ্গেও তাঁর গড়ে উঠেছিল নিবিড় জানাজানির সম্পর্ক প্রথম উপন্যাস উত্তরঙ্গে (১৯৫১) গঙ্গার উভয়তীরবর্তী ভূমিখণ্ডের পরিশ্রমজীবী মানুষের জীবনবাস্তবতা অঙ্কনের প্রায় অর্ধযুগ ব্যবধানে তিনি উপন্যাসের পটপরিসররূপে অবলম্বন করলেন সেই গঙ্গাকেই, যে-গঙ্গা মানবজীবনের মতোই নিয়ত বহমান : গঙ্গা এবং গঙ্গানির্ভর মাছমারাদের সংগ্রামী জীবনের প্রতি কৌতূহলই শুধু নয়, সম্ভবত কৰি বিষ্ণু দে-র একটি উক্তিও সমরেশ বসুকে অনুপ্রাণিত ও উৎসাহিত করেছে গঙ্গা উপন্যাস রচনায়, এবং তাঁর শিল্পানুষঙ্গে যুক্ত করেছে জীবনোপলব্ধির নবতর রস- রসায়ন। কেবল জীবনশিল্পী নন, জীবনশিকারিরূপেই তিনি যেন আত্মপ্রকাশ করেছেন গঙ্গায় ।
Downloads
Downloads