ফুলমণি ও করুণার বিবরণ এবং ইউরোপীয় নারীর চোখে উনিশ শতকের পল্লিবাংলা

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v48i1-2.11
Crossmark

Authors

Abstract

ফুলমণি ও করুণার বিবরণ গ্রন্থের লেখক হান্না ক্যাথেরিন ম্যলেন্স (১৮২৬–১৮৬১) (Hannah Catherine Mullenes) একজন ইউরোপীয় মহিলা। তিনি খ্রিষ্টধর্মাবলম্বী ছিলেন। মালেন্সের পিতা পাদরি ফ্রাঁসোয়া লাক্রোয়া ও স্বামী ডা. জে ম্যলেন্স উভয়েই ছিলেন ধর্মযাজক। তিনি নিজেও ছিলেন ধর্মপ্রচারক, লন্ডন মিশনারি সোসাইটির কর্মী ম্যলেন্সের জন্ম কলকাতায়। তিনি ছোটবেলায় পিতার কাছে বাংলা শেখেন এবং পরবর্তীকালে এ ভাষায় দক্ষতা অর্জন করেন । হান্না ক্যাথেরিন মূলত এ দেশের মেয়েদের জন্য শিক্ষাকাজে বিশেষভাবে ব্রতী ছিলেন। “মাত্র বারো বছর বয়সেই তিনি স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন।” জানা যায়, তাঁর উদ্যোগে ইংল্যান্ড থেকে চাঁদা সংগৃহীত হত এ দেশের মেয়েদের জন্য ভবানীপুর ও আশপাশের গ্রামে বিদ্যালয় স্থাপনকল্পে। এ স্কুলে বাংলার পাঠদান করতেন ম্যলেন্স। এতে করে বাংলা ভাষাতে তাঁর দক্ষতার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। খুব সম্ভবত জীবিতকালে ম্যলেন্স ১৮৪১ এবং ১৮৫৮ সালে মোট দুবার ইংল্যান্ড গমন করেন। তিনি তাঁর পরিবারের কাজের লোক ও তাদের সন্তানদের জন্য পিতৃগৃহে শিক্ষাদানের একটি প্রচেষ্টা হাতে নিয়েছিলেন। শিক্ষক হিসেবে তিনি ছিলেন বেশ জনপ্রিয়। ১৮৪৫ সালের ১৯ জুন ম্যলেন্স বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পরও তাঁর শিক্ষাব্রত অটুট থাকে। ম্যলেন্সের স্বামীও ছিলেন একজন শিক্ষানুরাগী ও ধার্মিক মানুষ। বিয়ের পর ম্যলেন্স মেয়েদের জন্য একটি স্কুল ও বোর্ডিং পরিচালনা করতেন। সেখানে তিনি দেশীয় সংস্কৃতি ও কৃষ্টির প্রতি বিশেষ জোর দিতেন। এ সময়েই ১৮৫২ সালে ম্যলেন্স ফুলমণি ও করুণার বিবরণ (Phulmani and Karuna: a book for native Christian Women) রচনা করেন। “এই বইটি বিভিন্ন মিশনারি বিদ্যালয়ে পাঠ্যপুস্তক হিসেবে পড়ানো হত।” কলকাতায় ১৮৫৫ সালে জেনানা মিশন স্থাপিত হয় ক্যাথেরিনের উদ্যোগে। এ মিশনের অধীন চারজন কর্মী বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ঘুরে উচ্চবর্ণের হিন্দু পরিবারে মেয়েদের শিক্ষাদান করতেন।

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.
cover

Published

2011-02-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

ফুলমণি ও করুণার বিবরণ এবং ইউরোপীয় নারীর চোখে উনিশ শতকের পল্লিবাংলা . (2011). সাহিত্য পত্রিকা, 48(1-2), 189-208. https://doi.org/10.62328/sp.v48i1-2.11
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
০%: ০/০