পাখোয়াজ বাদনের ঐতিহাসিক পটভূমি
Abstract
সুর ও তাল সংগীতের প্রাণ এবং একটি অপরটির পরিপূরক। সুরের প্রকাশে শ্বাস-প্রশ্বাসের মতোই তালের ব্যবহার অনস্বীকার্য। এই তালের উৎকর্ষকে ধারণ বা বহন করে আনদ্ধ (চর্ম দ্বারা আচ্ছাদিত) বাদ্যযন্ত্র। উচ্চাঙ্গ সংগীতের সুর বা স্বর-সপ্তকের বিকাশে তারবাদ্যযন্ত্র বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে। আর আনদ্ধ বা অবনদ্ধ (তালবাদ্য) বাদ্যযন্ত্রের মধ্যে পরিশীলিত ও প্রচলিত অতি পুরাতন একটি যন্ত্র হলো পাখোয়াজ। সংগীতের উৎপত্তির মতোই পাখোয়াজের পরম্পরা অতি প্রাচীন। আধুনিক কালে এর বাদনক্রিয়া উচ্চাঙ্গ যন্ত্রসংগীতের তবলার সাথে সমান্তরালভাবে ব্যবহৃত হওয়ার ফলে এটি হয়ে উঠেছে একটি নির্ভরযোগ্য তালবাদ্যযন্ত্র। যদিও ইতিহাসের আলোকে প্রাচীন কাল থেকে আধুনিক কাল পর্যন্ত এর যোগসূত্র সূক্ষ্মভাবে আবিষ্কার করা সম্ভব নয়, তথাপি এর উৎপত্তি ও বিকাশ সম্পর্কে ঐতিহাসিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে অগ্রসর হয়ে একটা মীমাংসায় উপনীত হওয়া যায়। এর ক্রমবিবর্তনের ইতিহাসকে নিম্নোক্তভাবে ভাগ করা যায়, যথা : ১. আদিম যুগের অবনদ্ধ বাদ্য; ২. আদি যুগে অবনদ্ধ বাদ্য; ৩. প্রাক্বৈদিক যুগে মৃদঙ্গ; ৪. বৈদিক যুগে মৃদঙ্গ; ৫. বেদোত্তর প্রাচীন মৃদঙ্গ; ৬. মধ্যযুগে পাখোয়াজ এবং ৭. আধুনিক যুগে পাখোয়াজ। এই পাখোয়াজ যন্ত্রটির আকৃতি আদিতে কেমন ছিল, এর নাম কী ছিল এবং বর্তমানে তা কোন্ রূপ বা নাম ধারণ করেছে তা এই প্রবন্ধের আলোচ্য বিষয়।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 2011 সাহিত্য পত্রিকা - Shahitto Potrika | University of Dhaka

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.