মুচিরাম গুড়ের জীবনচরিত : একটি পর্যালোচনা

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v49i1.7
Crossmark

Authors

Abstract

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের (১৮৩৮-১৮৯৪) আবির্ভাবের পূর্ববর্তী সময়টা ছিল যুগসংকট প্রধান। ১৭৫৭ সালে পলাশির প্রান্তরে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনের মাধ্যমে এবং ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ক্ষমতা গ্রহণের ফলে ভারতবর্ষের চিরায়ত শাসন ব্যবস্থার মূল আন্দোলিত হয়। সে-সময়ে ভারতবর্ষ এ ধাক্কাটা সহজে সামলে নিতে পারেনি। সমাজ ছিল অন্তর্দ্বন্দ্বে দোদুল্যমান। শিক্ষিত জনমানসও ছিল দ্বিধাগ্রস্ত। এমনকি পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত যুক্তিবিদ এবং বুদ্ধিজীবী রামমোহন রায়ও (১৭৭৪-১৮৩৩) এর ব্যতিক্রম ছিলেন না। রামমোহনের কথা বাদ দিলে বঙ্কিমচন্দ্রকে ঊনবিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ চিন্তাবিদ মনীষী বলা যায়। তিনি তাঁর চিন্তনক্রিয়াকে শুধু সাহিত্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেননি; প্রসারিত করেছেন জাতিগঠনে, ঊনবিংশ শতাব্দীর সমাজগঠনে, ইতিহাস রচনার অনুপ্রেরণায়, নৈতিকতার মানোন্নয়নে, শিক্ষার প্রসারে, সর্বোপরি স্বদেশপ্রেমে। বঙ্কিম তাঁর সচেতন দৃষ্টিভঙ্গির দ্বারা সে সময়ের যুগসংকটের স্বরূপকে উপলব্ধি করেছেন এবং কীভাবে সে সংকট থেকে মানুষকে, সমাজকে রক্ষা করা যায় তার উপায় অনুসন্ধান করেছেন। তাঁর স্বচ্ছ চিন্তায় ধরা পড়েছিল যুগসংকট উত্তরণের উপায়। তিনি তীক্ষ্ণ যুক্তিবোধ, দূরদৃষ্টি এবং প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের জ্ঞান দ্বারা বিভিন্ন বিষয় বিশ্লেষণ করেছেন। তারই প্রকাশ ঘটিয়েছেন বিভিন্ন সাহিত্য পত্রিকায়।

উপরের যেকোনো বিকল্প বেছে নিন

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.
cover

Published

2011-10-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

মুচিরাম গুড়ের জীবনচরিত : একটি পর্যালোচনা . (2011). সাহিত্য পত্রিকা, 49(1), ১১৫-১২৫. https://doi.org/10.62328/sp.v49i1.7

একই বিষয়ের আরও নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…

এই লেখকের অন্যান্য নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
0%