রবীন্দ্রকবিতার অস্তরাগ
Abstract
রবীন্দ্র-সৃষ্টির অন্ত্যপর্ব কাব্যপ্রধান নয়, বরং চিত্রকলা ও নৃত্য মাধ্যমে রূপমুখ্য। রবীন্দ্রনাথ অঙ্কিত চিত্রকর্মসমূহ, নৃত্যনাট্যত্রয়-চিত্রাঙ্গদা (১৯৩৬), চণ্ডালিকা (১৯৩৮), শ্যামা (১৯৩৯) এবং গীতিনাট্যগুলো এ পর্যায়ে রবীন্দ্র-প্রবর্তনার অন্যতম স্বাক্ষর। ফলে শেষপর্বের রবীন্দ্রসৃষ্টি সাহিত্য অপেক্ষা শিল্পেই অধিকতর স্বচ্ছন্দ সেখানে ভাব অপেক্ষা প্রকাশ এবং তদপেক্ষা পরিবেশনা গুরুত্বপূর্ণ নির্বস্তুকতা অপেক্ষা রূপাশ্রয়িতা মুখ্য। তবে, অন্ত্যপর্বের রবীন্দ্রকাব্যও কম বিচিত্র নয়। বিশেষত প্রান্তিক (১৯৩৭) থেকে রবীন্দ্রকাব্যে ঘটে অভাবনীয় পরিবর্তন — যেন জন্মান্তর সাধিত হয় রবীন্দ্র-মানসে ও চিন্তাজগতে। প্রান্তিক থেকে শেষ লেখা (১৯৪১) পর্যন্ত রবীন্দ্রকাব্যের অস্তপর্ব এই নবজাত ভাবের অনুষঙ্গী।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 2012 সাহিত্য পত্রিকা

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.