মজা গাঙের গান : নবজীবনের উদ্বোধন

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v50i1.8
Crossmark

Authors

  • মোঃ আব্দুর রশীদ Govt. Keshab Chandra College, Jhenaidah Author

Abstract

বাংলা ছোটগল্পের ধারায় শামসুদ্দীন আবুল কালামের (১৯২৬-১৯৯৭) অবদান বিশেষভাবে স্মরণীয়। এদেশের সমাজ-জীবনের গভীরে প্রোথিত তাঁর শিল্পী-মানস । বাংলার জন-জীবনের বিচিত্র বিষয় তাঁর রচনাতে ফুটে উঠেছে। তাঁর লেখার প্রাথমিক পর্ব থেকেই তিনি এদেশের সমাজজীবনের বিভিন্ন জনপদ ও ঘটনাপ্রবাহের প্রত্যক্ষদর্শী। যে- সব ঘটনাপ্রবাহ তাঁকে আন্দোলিত করেছে, সেসব তিনি অবলীলায় তুলে ধরেছেন সাহিত্যের শিল্পভাষ্যে। কর্মসূত্রে তিনি যেখানেই অবস্থান করতেন না কেন তাঁর মনোবীণায় সব সময় স্বদেশ-ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে লালন করতেন। সাহিত্য-সাধনার সূচনা থেকে শেষ পর্যন্ত স্বদেশ-ভাবনা এবং স্বদেশের মূল্যবোধ তাঁকে সাহিত্য-রচনাতে প্রেরণা যুগিয়েছে। স্বদেশ-বিনির্মাণ এবং স্বদেশ-অন্বেষা তাঁর শিল্পীমানসের প্রধান বৈশিষ্ট্য। তিনি আপন অস্তিত্বে দেশ এবং দৈশিক ঐতিহ্য সম্পর্কে যে বিশ্বাস স্থাপন করেছেন তা সাহিত্যের সংক্ষিপ্ত কলেবরে উপস্থাপন করেছেন। তিনি কথাসাহিত্যে অবয়ব সংস্থান ও প্লটের উপর গুরুত্বারোপ করেন নি, যতটা করেছেন বিষয় বা বক্তব্যের উপর। তিনি শিল্প-সচেতন নন, বিষয়-সচেতন কথাসাহিত্যিক। শামসুদ্দীন আবুল কালাম ছাত্রজীবনেই রচনা করেন বিখ্যাত “শাহের বানু” গল্পটি। তিনি অল্প সময়ের ব্যবধানে সাহিত্যিক পরিমণ্ডলে সমাজসচেতন কথাশিল্পী হিসেবে নিজের পরিচিতি তুলে ধরতে সক্ষম হন। ১৯৪৬ সালে বরিশাল থেকে প্রকাশিত “সাত-সতেরো" পত্রিকার (কবিতার সংকলন) প্রকাশক হিসেবেও তিনি কাজ করেন। উত্তাল চল্লিশের দশকে তিনি প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন এবং একই সাথে সাহিত্য-সাধনায় মনোনিবেশ করেন। এখানে উল্লেখ্য, একজন সাহিত্যিকের শিল্পীসত্তার বৈশিষ্ট্য নিরূপণে তাঁর স্বকাল, সমাজ, পারিপার্শ্বিকতা এবং রচনাসমূহ গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয়। শামসুদ্দীন আবুল কালামের শিল্পমানস সন্ধানে আমরা তাঁর স্বকাল, বিভিন্ন সময়ে লেখা চিঠি-পত্র ও শিল্প-সাহিত্য সম্পর্কে তাঁর চিন্তা-ভাবনার দ্বারস্থ হব। এছাড়াও গল্পকারের শিল্পীমানস উন্মোচন প্রয়াসে লেখা কয়েকজন সমালোচকের মন্তব্যও এখানে তুলে ধরব ।

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.
cover

Published

2025-03-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

মজা গাঙের গান : নবজীবনের উদ্বোধন. (2025). সাহিত্য পত্রিকা, 50(1), ১৭৫-১৮৯. https://doi.org/10.62328/sp.v50i1.8