অদ্বৈত মল্লবর্মণ : ঐতিহ্য ও স্বাদেশিকতার অনুসন্ধান
Abstract
বিশ শতকের বাংলা উপন্যাসের ধারাকে অদ্বৈত মল্লবর্মণ (১৯১৪-১৯৫১) তাঁর কথাসাহিত্য দ্বারা সমৃদ্ধ করেছেন, একথা নিঃসন্দেহে বলা যায়। তাঁর প্রথম গ্রন্থ তিতাস একটি নদীর নাম-এর মাধ্যমেই এই সাফল্য শুরু হয়েছিল। কল্লোলগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত না হয়েও তিনি সাহিত্যে কল্লোলীয় আদর্শকে ধারণ করেছেন। মিতকথনের শিল্পী অদ্বৈত মল্লবর্মণ। সাংবাদিকতার পেশা তাঁর দৃষ্টিকে নির্মোহ ও অনুসন্ধিৎসু করেছে। তাঁর রচিত সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে তিতাস একটি নদীর নাম (১৯৫৬), শাদা হাওয়া (১৯৯৬), রাঙামাটি (১৯৯৭)। ‘সন্তানিকা' (১৯৩৯), ‘স্পর্শ দোষ' (১৯৪১), 'বন্দী বিহঙ্গ' (১৯৪৬), 'কান্না' (১৯৯৬) প্রভৃতি ছোটগল্পও লিখেছিলেন তিনি। 'ভারতের চিঠি- পার্ল বাক কে' সাংবাদিক অদ্বৈতের অন্যতম সার্থক রচনা। এটি রিপোর্টাজ ধরনের লেখা। প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয় ১৯৪৩ এর মধ্যেই। পঞ্চাশের মন্বন্তরের চিত্র রয়েছে গ্রন্থটিতে। আছে ২২ জুন ১৯৪১ তারিখে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে রাশিয়ার ‘আচমকা ও আকস্মিক' যোগদান ও তাঁর ‘সুদূর প্রসারী’ ফলাফলের কথা। অদ্বৈত মল্লবর্মণ বিশ-তিরিশের দশক জুড়ে কবিতাও রচনা করেন। ‘তাঁর কবিতায় নজরুল ইসলামের স্বাদেশিকতা ও উদার মানবিকতার প্রভাব পড়েছিল' (সুবোধ ১৯৯৪ : ২৪) বলে মনে করেছেন সমালোচক।' লেখক-শিল্পী হিসেবে উঁচুমানের কবিত্ব ও কল্পনাশক্তির প্রাচুর্য লক্ষ করেই ঔপন্যাসিক অদ্বৈতকে মূলত 'কবি' বলে চিহ্নিত করেন সমালোচক। উপন্যাসের বিষয়বস্তুর মতোই তাঁর কবিতার বিষয় মূলত এবং প্রধানত মানুষ ও প্রকৃতি।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 2015 সাহিত্য পত্রিকা

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.