বুদ্ধদেব বসুর মৌলিনাথ : প্রসঙ্গ নির্মাণকলা

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v52i2.6
Crossmark

Authors

Abstract

আত্মমুগ্ধ এক কবির মগ্নচৈতন্যে লালিত কবিতাপ্রেমের শিল্পভাষ্য বুদ্ধদেব বসুর উপন্যাস মৌলিনাথ (১৯৫২)। কবিতা-দয়িতের ভারগ্রস্ত মৌলির অন্তর্বাস্তবতা রূপায়ণে এ উপন্যাসের নির্মাণকলায়ও লেখক গ্রহণ করেছিলেন এক অভিনব প্রকাশভঙ্গি। বুদ্ধদেবের ‘উপন্যাসের well made অবয়ব সাহিত্যতত্ত্বের গজ-ফিতা মেনে অগ্রসর হয়নি। উপন্যাসের প্রেক্ষাপটে তিনি ব্যক্তির গূঢ় সত্তার গভীর উদ্ভাসনের মাধ্যমে সমগ্র ব্যক্তিত্বের ক্রম-উন্মোচন চেয়েছেন' (রহমান, ১৪১৫ : ১৩১)। মৌলিনাথ উপন্যাসেও কবিতার আবেগে দীপ্র সদ্য কৈশোরোত্তীর্ণ এক কবির চেতনা-গহ্বরের ক্রম উন্মোচন ঘটেছে। একজন কবি বা শিল্পীর প্রকৃতি বিশ্লেষণে রিলকের মতো বুদ্ধদেব বসুও বিশ্বাস করতেন, শিল্পী বা কবি মানেই ধীরে বিবর্তমান এক সত্তা। চেতনার অন্ধকারে নিমজ্জিত মৌলিকেও বুদ্ধদেব এ উপন্যাসে ক্রম উত্তরিত এক আলোকিত সত্তায় ভাস্বর করে তুলেছেন। মৌলিসত্তার এই ক্রম রূপান্তরের ইতিহাস ব্যাখ্যায় এ উপন্যাসে যে নির্মাণকলা ছিল অনিবার্য, সেটি প্রকাশিত হয়েছে ব্যক্তির ‘বহিরঙ্গের অনুপুঙ্খ বিবরণধর্মী বাস্তবতার পরিবর্তে অন্তর্জীবনের গভীরতর বাস্তবতার সন্ধানে, অবচেতন আকাঙ্ক্ষার রূপায়ণে, চরিত্র অঙ্কনের পরিবর্তে ব্যক্তির আত্মান্বেষণে, চেতনাপ্রবাহ কিংবা অন্তঃসংলাপ রীতির ব্যবহারে, প্রচলিত সময় ধারণার পরিবর্তে সময়ের ভগ্ন-ক্রম বিন্যাসে, সূক্ষ্ম সংকেত-প্রতীক ও নিগূঢ় চিত্রকল্পের ব্যবহারের (ঘোষ, ১৯৯৭ : ৩১১-৩১২) মাধ্যমে।

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.
cover

Published

2015-02-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

বুদ্ধদেব বসুর মৌলিনাথ : প্রসঙ্গ নির্মাণকলা . (2015). সাহিত্য পত্রিকা, 52(2), ৮৯-১০৬. https://doi.org/10.62328/sp.v52i2.6