রবীন্দ্রসাহিত্যে বিজ্ঞান : প্রসঙ্গ বিবর্তনবাদ
Abstract
আধুনিক সভ্যতার প্রধান চালিকাশক্তি হচ্ছে বিজ্ঞান (Science)। এর চর্চার মাধ্যমে মানুষ তার জ্ঞানের দিগন্ত প্রসারিত করে চলেছে সূক্ষ্মতম পরমাণুর (Atom) অভ্যন্তর থেকে শুরু করে মহাকাশের দূরতম সীমা পর্যন্ত। উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে এর যে অভূতপূর্ব জয়যাত্রা শুরু হয়েছিল, তা তার চিন্তার জগৎকে বিপুলভাবে নাড়া দিয়েছে। জীববিজ্ঞান (Biology), পদার্থবিজ্ঞান (Physics), জ্যোতির্বিজ্ঞান (Astronomy), বিশ্বতত্ত্ব (Cosmology) প্রভৃতি ক্ষেত্রে তার পুরোনো ধারণা-বিশ্বাস ভেঙে তৈরি হয়েছে নতুন সব ধারণা। ১৮৫৯ খ্রিষ্টাব্দে চার্লস ডারউইন (Charles Darwin, ১৮০৯-১৮৮২) তাঁর সাড়া জাগানো গ্ৰন্থ প্রজাতির উৎপত্তি (The Origin of Species) প্রকাশ করে জীববিজ্ঞানের ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনেন, আলবার্ট আইনস্টাইন ( Albert Einstein, ১৮৭৯-১৯৫৫) ১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দে আপেক্ষিকতার তত্ত্ব (Theory of Relativity) প্রচার করে বিশ্ব সম্পর্কে মানুষের পূর্বেকার ধারণা সম্পূর্ণ পালটে দেন, ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দে এডউইন হাবল (Edwin Hubble, ১৮৮৯-১৯৫৩) দূরের গ্যালাক্সিগুলোর ( Galaxy) আলোর বর্ণলিপি (Spectrum) বিশ্লেষণ করে দেখান যে, মহাবিশ্ব (Universe) ক্রমপ্রসারমাণ। আধুনিক বিজ্ঞানের এ সব বৈপ্লবিক তত্ত্ব ও ধারণা বাঙালি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে (১৮৬১-১৯৪১ ) বিপুলভাবে প্রভাবিত করেছিল। ফলে স্বাভাবিকভাবেই তাঁর কবিতায়, এবং অন্যান্য রচনায়, ব্যবহৃত হয়েছে নানা বৈজ্ঞানিক প্রসঙ্গ, স্থান পেয়েছে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক তথ্য ও তত্ত্ব।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 2015 সাহিত্য পত্রিকা - Shahitto Potrika | University of Dhaka

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.