প্রাচ্য, প্রতীচ্য ও রবীন্দ্রনাথ

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v49i3(2).2
Crossmark

Authors

Abstract

আজ থেকে পঞ্চাশ বছর আগে বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতি নিয়ে যাঁরা মাথা ঘামান তাঁদের ভেতর যথেষ্ট উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। এটা যে তখন কোনো নতুন প্রসঙ্গ ছিল, তা নয়। রবীন্দ্রনাথ বেঁচে থাকতেও টুকটাক অভিযোগ-আলোচনা এখানে-সেখানে কেউ কেউ করেছেন। পত্র-পত্রিকাতেও মাঝে মাঝে তার দেখা মিলেছে। আবার মিলিয়েও গেছে। শেষ পর্যন্ত তাঁর স্বয়ংপ্রভ-সার্বভৌম ভাবমূর্তিই স্থায়ী হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বুদ্ধদেব বসুর আপাত-নিরীহ একটি রচনা চারদিকে তুমুল হৈ-চৈ ফেলে দিয়েছিল। ‘রবীন্দ্রনাথ ও প্রতীচী' নামে লেখাটি প্রথম ছেপে বেরোয় ১৯৬০ সালে। তখন খুব একটা কারো নজরে পড়েনি। অবশ্য তার আগে ওই বছরেই ‘আকাশবাণী'র 'The Indian Listener' মুখপত্রে তাঁর 'Western Influence on Bengali Literature : Rabindranath' ছাপা হয়। বাংলা রচনাটি মোটামুটি ইংরেজির অনুসরণ; কোথাও বা একটু-আধটু সম্প্রসারণ। পরে ইংরেজি- বাংলা, দু'ভাষাতেই লেখাটির পুনর্মুদ্রণ হয়েছে বার কয়েক। প্যারিসের ইঙ্গ-ফরাসি পত্রিকা Two Cities-এও। ১৯৬১তে সম্ভবত রবীন্দ্রজন্মশতবার্ষিকের কারণে, অন্য সময়ের তুলনায় তা বেশি আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। হয়ত একই কারণে প্রতিক্রিয়াও তীব্রতর হয়েছে। শতবর্ষে রবীন্দ্রনাথের ভাবপ্রতিমা অতিমানবিক বিভূতি ছড়ায়। আত্মশ্লাঘাও বাংলাভাষী জনগণের বাড়ে। এই পরিমণ্ডলে, তিনি যে পাশ্চাত্যের অনুগামী ছিলেন, এবং তাঁর সুকৃতি অনেকাংশেই তার পরিণাম ফল, কোনো লেখা থেকে যদি এমন ধারণার সৃষ্টি হয়, তবে তার পাঠক- আনুকূল্য পাবার সম্ভাবনা ক্ষীণ হবারই কথা। হয়ত তেমনই। প্রতিবাদ ও প্রত্যাখ্যানের ঝাঁঝ ক্রমশ বাড়ে। তর্ক-বিতর্ক তুমুল হয়ে ওঠে। অন্নদাশঙ্কর রায়ের মতো প্রাজ্ঞ চিন্তাবিদেরও মতামত দেবার প্রয়োজন পড়ে।

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.
cover

Published

2012-06-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

প্রাচ্য, প্রতীচ্য ও রবীন্দ্রনাথ. (2012). সাহিত্য পত্রিকা, 49(3), ১৭-৩৯. https://doi.org/10.62328/sp.v49i3(2).2