বাঙলা সাহিত্যে প্যারীচাঁদ মিত্র
Abstract
সাহিত্যে, সংস্কৃতিক্ষেত্রে ও ব্যক্তিজীবনে—সর্বত্রই প্যারীচাঁদ মিত্র অবিসংবাদী খ্যাতি ও প্রতিষ্ঠা অর্জন করেছিলেন। তাঁর জ্ঞানানুশীলনে যেমন ছিল অদম্য স্পৃহা তেমনি ছিল অক্লান্ত পরিশ্রমের ক্ষমতা ও অনুসন্ধিৎসা। এই অধ্যবসায়, শ্রমশীলতা ও চিন্তাশীলতা অবশ্য সেই যুগেরই সাধারণ লক্ষণ। বাঙলা সাহিত্যের সেই ক্রান্তিকালের প্রথমাংশের যুগপুরুষ রামমোহন, শেষাংশের বিদ্যাসাগর; মধ্যবর্তীকাল 'ইয়ং বেঙ্গল'দের চাঞ্চল্যমুখর। প্যারীচাঁদ মিত্রের মানস গঠিত হয়েছে রামমোহনের ব্যক্তিত্বের আলোকে ‘ইয়ং বেঙ্গল'দের সঙ্গে, আর তাঁর প্রতিভার স্ফূর্তি ঘটেছে বিদ্যাসাগরের সমকালে। ১৮১৪ খৃষ্টাব্দের ২২শে জুলাই কলকাতায় পারীচাঁদের জন্ম। ১৮২৭ এর ৭ই জুলাই তিনি হিন্দু কলেজে ভর্তি হন; এক বছর আগে (১৮২৬) ডিরোজিও এই কলেজে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। ১৮২৯এ সতীদাহর হিত আইন পাশ হয় এবং ১৮০০ এর ১৫ই নভেম্বর রামমোহন বিলেত যাত্রা করেন—তাঁর এ যাত্রার অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল ভবিষ্যৎ শাসন ব্যবস্থার ভারতের অবস্থা উন্নতির চেষ্টা করা। ১৮৩১ এর এপ্রিলে কলেজ কমিটির হিন্দু সভ্যদের চক্রান্তের ফলে ডিরোজিও পদত্যাগ ক'রে 'ইষ্ট ইণ্ডিয়ান' নামে এক পত্রিকা প্রকাশ শুরু করেন; কিন্তু এ বছরেই ১৭ই ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়। ১৮৩১এর আগষ্ট থেকেই ডিরোজিওর ছাত্রেরা সামাজিক উচ্ছ খেলার পরিচয় দিতে শুরু করেন এবং ১৮৩২-এর শেষাংশে প্রথমে মহেশচন্দ্র ঘোষ ও পরে কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় ( ১৭ই অক্টোবর ) —ডিরোজিওর এই দুই ছাত্র খৃষ্টধর্মে দীক্ষিত হন।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 1959 সাহিত্য পত্রিকা

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.