মুসলিম কবির পদ-সাহিত্য
Abstract
বৈদিক তথা ব্রাহ্মণ্য ধর্ম প্রবর্তিত ধর্ম নয়। নানা সময়ে বিভিন্ন কবি-রচিত কবিতা বা শ্লোকের ভাব নিয়ে গড়ে ওঠা মত। কাজেই ব্যক্তি-বিশেষের প্রবর্তিত ও প্রচারিত পৃথিবীর আর ধর্মের সঙ্গে এর মৌলিক তফাৎ রয়েছে। ব্যক্তি প্রবর্তিত ধর্মের প্রতিপাদ্য বিষয়ে এবং আদর্শে, উদ্দেশ্যে ও লক্ষ্যে অসঙ্গতি কিংবা জটিলতা কম। কিন্তু বহু মনীষী-মতের সমবায়ে গড়ে উঠা ধর্মে জটিলতা থাকাই স্বাভাবিক৷ ফলে হয়েছেও তাই। আদি বেদের নাম ঋক্। বিভিন্ন কবির (কবি শব্দের অর্থ ক্রান্তদর্শী) কবিতা, কবিতাংশ ও শ্লোকের সংকলন গ্রন্থ, এটি। কবিতা বা শ্লোককে বলা হয় মন্ত্ৰ৷ আর কয়েকটি মন্ত্রের সমবায়ে গড়ে উঠে এক একটি সুক্ত, এই সূক্ত-সমষ্টিরই নাম সংহিতা। এ কারণে বেদের অপুর নাম সংহিতা। ছন্দে রচিত বলে এর নাম ছন্দ এবং মুখে মুখে রচিত বেদ-কথা শুনে শুনে মনে রাখতে হতো বলে একে শ্রুতিও বলা হয়। পরে ঋগ্বেদকে দু'ভাগ করে পৃথক গ্রন্থ তৈরী হয়, ঋগ্বেদের গানের সংকলনকে বলে সামবেদ বা সাম সংহিতা আর যজ্ঞাদির বিধি-বিধানগুলোর সমষ্টিকে বলে যজুর্বেদ। অথর্ব বেদ মৌলিক রচনা এবং এটি ঋগ্বেদের অনেক পরে রচিত৷
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 1960 সাহিত্য পত্রিকা

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.