মীর-মানস
Abstract
বর্তমান প্রবন্ধ মীর মশাররফ হোসেন সম্পর্কে পরিকল্পিত আমার বিস্তৃততর আলোচনার ভূমিকা হিসেবে পাঠ্য। কোনো কবি-সাহিত্যিকের মানসপ্রকৃতি ও শিল্পকর্মের পূর্ণ পরিচয় প্রদান করার কতগুলো সাধারণ নিয়ম একাধিক সমালোচকদের কাছ থেকে সমাদর লাভ করে আসছে। রীতিগুলো যে একেবারে অভাবনীয় এবং অপরিবর্তনীয় এমন বলা যায় না। তবে এর শৃঙ্খলাপূর্ণ অনুশীলন অপেক্ষাকৃত অপরিচিত লেখক সম্পর্কে পাঠক সাধারণের খণ্ডিত ও অস্পষ্ট ধ্যানধারণাকে সহজে সংহতি ও স্বচ্ছতা দান করে। প্রথম কর্তব্য পরিবেশকে বিস্তৃতরূপে বর্ণনা করা । শিল্পীর জীবন যে স্থান ও কালের অধীন ছিল তার ব্যাপক পরিচয়কে উদ্ঘাটিত করা। কিন্তু সে পটভূমি ভাব ও কর্মের সহস্র ধারায় অভিষিক্ত, তার সকল আবর্ত হয়ত সরাসরি চিত্তবিশেষকে স্পর্শ করেনি। তাই প্রয়োজন হয় সেই পরিব্যাপ্ত বিরাট পশ্চাৎপটের বিশেষ এলাকা সীমাচিহ্নিত করা, যার সংক্রমণ-বিশেষ শিল্পীর মানস গঠনকে বৈশিষ্ট্য দান করেছে, তার নানা অনালোকিত প্রবণতাকে প্রথর করে তুলেছে। পরিবেশ থেকে প্রামাণ্য ও প্রাসংগিক তথ্য চয়ন করে, তার সংগে ব্যক্তিসত্তার সম্পর্ক স্থাপন করে শিল্পীর সামগ্রিক মানস সংঘটনের একটা মূল্যবান স্কুল প্রতিকৃতি রচনা সম্ভব। এ এই বিচারেরই বিপরীত পিঠ বা পরবর্তী স্তর হলো শিল্পীর সমগ্র রচনাবলীর মধ্যে তাঁর বিচিত্র ভাবনার প্রতিফলনকে লোচন করা এবং তার নানা সংকেতকে অনুসরণ করে শিল্পীর পরিপূর্ণ মানস্ব-মণ্ডলের চিত্র রচনা করা।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 1960 সাহিত্য পত্রিকা

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.