আলবেরুনীর ভারত-তত্ত্ব

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v6i2.3
Crossmark

Authors

Abstract

[ হিন্দুদের যে-সব কিস্তা অজ্ঞতার দিগন্তে পক্ষবিস্তার করে ]

ভোজবাজি বা চাতুরির দ্বারা কোনও বস্তুর প্রকৃত রূপকে অন্য রূপে ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য করে উপস্থিত করার নাম ইন্দ্রজাল বা যাদুবিদ্যা৷ এই অর্থে যাদুবিদ্যা মানব সমাজে বহুল প্রচলিত। জনসাধারণ অবশ্য যাদু অর্থে অসম্ভবকে সম্ভব করানোই বোঝে। সে অর্থে নিলে বলতে হয় যে যাদুর কোনও অস্তিত্ব নাই। কারণ যা অসম্ভব, তা সম্ভব হতে পারে না, এবং সেজন্য ওটি নিছক ধাপ্পা বই আর কিছুই হতে পারে না। এই বিদ্যার সঙ্গে বিজ্ঞানের কোনও সংস্রবই থাকতে পারে না। এই যাদুরই একটি প্রকার হচ্ছে “কিমিয়া” (Alchemy)। 'কিমিয়াকে’ অবশ্য কেউ যাদু বলে না, কিন্তু কেউ যদি একটু তুলা নিয়ে সোনার মত করে দেখায়, তাকে যাদু ছাড়া আর কি নামে অভিহিত করা যাবে? রূপাকে সোনার মত করে দেখানোর সাথে কেবল গিল্টি করার সুবিদিত প্রক্রিয়া ছাড়া এর কোনও তফাৎ নাই৷ একাগ্রভাবে মনোনিবেশ করে না, কোনও কোনও জাতি হিন্দুরা অবশ্য ‘কিমিয়া'তে তেমন কিন্তু কোন জাতিই এর মোহ থেকে মুক্ত নয় ৷ আবার অন্যের তুলনায় এর প্রতি বেশী মনোযোগী। 

উপরের যেকোনো বিকল্প বেছে নিন

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.

Published

1962-12-16

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

আলবেরুনীর ভারত-তত্ত্ব . (1962). সাহিত্য পত্রিকা, 6(2), 125-140. https://doi.org/10.62328/sp.v6i2.3

একই বিষয়ের আরও নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…

এই লেখকের অন্যান্য নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
0%