আলবেরুনীর ভারত-তত্ত্ব

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v7i1.1
Crossmark

Authors

Abstract

ব্রহ্মাণ্ডের অর্থ ব্রহ্মর ডিম্ব। প্রকৃতপক্ষে শব্দটি সমস্ত “ইথর” বা গগনমণ্ডল সম্বন্ধে তার গোলাকৃতি ও গতির জন্যই প্রযুক্ত হয়৷ নিম্নভাগে বিভক্ত থাকার জন্য পৃথিবীকেও ব্রহ্মাণ্ড বলা হয় সংখ্যা গণনা করার সময়ে তার সমষ্টিকে ‘ব্রহ্মাণ্ড' বলে। এমন কি উর্ধ্ব ভাগ ও ভারতীয়রা আকাশের তার কারণ জ্যোতিষ জ্যোতিষের সঠিক ধারণাও শাস্ত্রচর্চায় ওদের তোন অধ্যবসায় নাই এবং জ্যোতিষের ওদের নাই। সেজন্য আকাশমণ্ডলকে স্থির নিশ্চল বলে ওরা বিশ্বাস করে, বিশেষ করে স্বর্গের সুখকে পার্থিব সুখের মত বর্ণনা করে আকাশকে ওয়া দেবতাদের বাসস্থান বলে কল্পনা করে বলে, যাদেরকে ওরা গমনাগমন ও অবতরণের ক্ষমতাসম্পন্ন বলে মনে করে। ভারতীয় শ্রুতির রহস্যময় ভাষায় বলা হয়, 'আদিতে জল ছিল এবং তা পৃথিবীর সমস্ত ব্যাপ্তিকে পূর্ণ করে রেখেছিল। এটি নিশ্চয়ই পুরুষহোরাত্রের প্রথম প্রহরের ও গঠন-মিশ্রণের প্রারম্ভিক ফেন হতে থাকলে তার থেকে একটি ব্যাপার। ওরা বলে : 'জলে তরঙ্গ শ্বেতকায় বস্তুর আবির্ভাব হল; সে কারও কারও মতে, সে অগুটি অণ্ডের অর্ধেক ভাগ আকাশ। বস্তু থেকে স্রষ্টা ‘ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি করলেন।' ওদের ভেঙে ফেলে তার থেকে ব্রহ্ম নির্গত হলেন। ও অন্যভাগ পৃথিবী, আর দুইভাগের মধ্যেকার চূর্ণগুলি বৃষ্টিতে পরিণত হল। বৃষ্টি না বলে, ওরা যদি পর্বত বলত, তাহলে ব্যাপারটি আরও আপাতসম্ভব মনে হত। অন্য একদল বলে যে ঈশ্বর ব্রহ্মাকে বললেন : “আমি একটি অণ্ড সৃষ্টি করছি, তার মধ্যে তুমি বাস করবে বলে।” তিনি উপরোক্ত জলের ফেন থেকে সেই অণ্ড সৃষ্টি করলেন। কিন্তু মৃত্তিকা যখন জলকে শুষে নিল, অণ্ডটি তখন ভেঙে দুখণ্ড হয়ে গেল।

উপরের যেকোনো বিকল্প বেছে নিন

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.

Published

1963-06-15

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

আলবেরুনীর ভারত-তত্ত্ব . (1963). সাহিত্য পত্রিকা, 7(1), 1-26. https://doi.org/10.62328/sp.v7i1.1

একই বিষয়ের আরও নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…

এই লেখকের অন্যান্য নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
0%