শব্দের বহুস্বর : অগ্নি-বীণা কাব্যের যৌগিকীকরণ প্রসঙ্গ
Abstract
কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নি-বীণা (১৯২২) কাব্যটি বাংলা সাহিত্যে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন। আত্মপ্রকাশের একটি বিশেষ ভঙ্গিমা নিয়েই কবি এ কাব্যে ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে ধারণ করেন সংহারব্রত। তাঁর সেই বিশেষ ভঙ্গিমার অংশ হিসেবে বর্তমান প্রবন্ধে বিবেচিত হয়েছে শব্দের যৌগিকীকরণ প্রক্রিয়া। এ প্রক্রিয়ায় শব্দ গঠনে নজরুল দেশি-বিদেশি-আরবি-ফারসি-সংস্কৃত- ইংরেজিসহ আরও নানান শব্দ-উৎসের দ্বারস্থ হন। অর্থাৎ তাঁর যাপিত জীবনের অসাম্প্রদায়িকতার বোধকে তিনি সচেতনভাবে সঞ্চারিত করেন এ-কাব্যের শব্দরীতিতে। ভিন্ন বিন্যাসে বিন্যস্ত এসব শব্দ আর একটি অর্থ-কাঠামোতে সুস্থির থাকেনি; তা একই সঙ্গে সমকালের ও মহাকালের চাহিদা মিটিয়েছে। যে- সময়ের সৃষ্টি এসব শব্দ, সে-কাল অতিক্রান্ত । কিন্তু শব্দগুলোর আবেদন আজও অনিঃশেষ। ভবিষ্যতেও এর প্রাসঙ্গিকতা বাড়বে বৈ কমবে না। তাঁর শব্দেরা মহাকালিক বিশালতার মধ্যে বিচরণ করে প্রতিনিয়ত সৃজন করে চলেছে নতুন সুর ও স্বর, নানা অর্থবৈচিত্র্য। বর্তমান প্রবন্ধে এ বিষয়টিই অনুসন্ধানের প্রয়াস গৃহীত হয়েছে।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 2017 সাহিত্য পত্রিকা - Shahitto Potrika | University of Dhaka

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.