কথা

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v9i1.2
Crossmark

Authors

Abstract

‘কথা” শব্দটি মূলতঃ — বৈদিকে অব্যয় (“যথা”, “তথা” ইত্যাদির মতো)। মানে ছিল, 'কেমন করে, কিসে, কেমনে' ইত্যাদি। অবৈদিক সংস্কৃত ভাষায় অব্যয়ত্ব ও অব্যয়ার্থ পরিত্যাগ করিয়া ইহ৷ বিশেষ্যে পরিণত হইয়াছে এবং শব্দটির অর্থ হইয়াছে ‘বিবরণ, আখ্যান, কাহিনী, প্রসঙ্গ, বাক্যালাপ' ইত্যাদি। এইসব অর্থ বাংলায়ও চলিয়া আসিয়াছে। অব্যয় থেকে বিশেষ্যে পরিণত হইবার মধ্যবর্তী রূপটি পাওয়া যায় নাই। তবে সে রূপান্তরের অর্থ ঘটিত যোগসূত্রটি নির্ধারণ করা কঠিন নয়। দীর্ঘ বর্ণনা অথবা কাহিনী শুনিবার সময়ে এখন যেমন বাঙ্গালা-ভাষী শ্রোতা বলিয়া থাকে, ‘কি করিয়া, কেমন করিয়া, কিসে, তারপর কি' ইত্যাদি তখন বৈদিক-ভাষী বক্তা দীর্ঘ উক্তির মধ্যে বিশ্রামের জন্যে অথবা, শ্রোতার কৌতূহল জাগাবার জন্যে মাঝে মাঝে বলিত ‘কেমনে? কি করে?? এবং অথবা শ্রোতা বলিত ‘কথা, কথম, কিম্ অতঃ, ততঃ কিম্‌” ইত্যাদি। সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হইত “কথা” ও “কথম্”। “কথম্” অবৈদিক সংস্কৃতে সরাসরি চলিয়া আসিল, “কথা” অপ্রচলিত হওয়ায় এবং বিশেষ্যের মতো আকারান্ত হওয়ায় বিশেষ্যে পরিণত হইল। সেইসঙ্গে শব্দটি নামধাতুরূপেও চলিতে লাগিল –“কথয়তি” (অর্থাৎ ‘বলিয়া বলিতেছে’)।

উপরের যেকোনো বিকল্প বেছে নিন

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.
22-24

Published

1965-06-15

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

কথা. (1965). সাহিত্য পত্রিকা, 9(1), 22-24. https://doi.org/10.62328/sp.v9i1.2

একই বিষয়ের আরও নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…

এই লেখকের অন্যান্য নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
0%