‘পদুমাবত' উপাখ্যানের উৎস

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v9i1.5
Crossmark

Authors

Abstract

‘পদুমাবত'-এর কাহিনীর উৎস কোথায় তা যথাযথভাবে আবিষ্কার করা কঠিন। কাহিনীর মধ্যে ইতিহাসের কথা আছে অর্থাং ইতিহাস প্রসিদ্ধ কয়েকজন ব্যক্তির উল্লেখ আছে। সম্পূর্ণ আখ্যায়িকাকে আমরা যদি দুই ভাগে ভাগ করি তাহলে ইতিহাস এবং কল্পনার বিন্যাস ও সংযোগ দেখতে পাই। রত্নসেনের সিংহল যাত্রা থেকে আরম্ভ করে পদ্মিনীকে নিয়ে চিতোর প্রত্যাবর্তন
পর্যন্ত কাহিনীর পূর্বার্ধ গণনা করা যায়। রাঘবচেতনের বহিষ্কার থেকে আরম্ভ করে পদ্মিনীর সতী হওয়া পর্যন্ত উত্তরার্ধ। কাহিনী অনুসরণ করলে দেখতে পাব যে পূর্বার্ধ সম্পূর্ণরূপে কাল্পনিক। প্রসিদ্ধ অঞ্চলের নামও পাই, ঐতিহাসিক ঘটনার আভাস আছে, যাকে বলা যায় ঐতিহাসিক আধার। আলাউদ্দীনের চিতোর আক্রমণ সম্পর্কে টডের রাজস্থান গ্রন্থে' নিম্নলিখিত বিবরণ আছে: - ইতিহাসের ব্যক্তি এ অংশে আছে, ইতিহাস কিন্তু ইতিহাসের ঘটনা নেই৷ উত্তরাধে “বিক্রম সংবং ১৩৩১ সালে লখনসী চিতোরের সিংহাসনে বসেন। ইনি নাবালক ছিলেন বলে এর পিতৃব্য ভীমসী রাজ্যশাসন করতেন। ভীমসীর বিবাহ হয়েছিলে। সিংহলের চৌহান রাজা হুম্মীর শংকের কন্যা পদ্মিনীর সঙ্গে। পদ্মিনী রূপে গুণে জগতের অদ্বিতীয়া ছিলেন। পদ্মিনীর রূপের খ্যাতি শুনে দিল্লীর বাদশাহ আলাউদ্দীন চিতোর গড় আক্রমণ করেন। প্রচণ্ড যুদ্ধের পর আলাউদ্দীন সন্ধি তিনি একবার মাত্র গড়ের ভিতরে তারপর দিল্লী প্রত্যাবর্তন করবেন। প্রস্তাব প্রেরণ করেন। তিনি বলেন যে,
প্রবেশ করে পদ্মিনীর রূপ দর্শন করতে চান।

উপরের যেকোনো বিকল্প বেছে নিন

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.

Published

1965-06-15

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

‘পদুমাবত’ উপাখ্যানের উৎস. (1965). সাহিত্য পত্রিকা, 9(1), 55-72. https://doi.org/10.62328/sp.v9i1.5

একই বিষয়ের আরও নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…

এই লেখকের অন্যান্য নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
0%