এ্যারিস্টটলের কাব্য সমালোচনা
Abstract
সেন্ট থমাস একুইনাস এ্যারিস্টটলকে বলেছেন 'দার্শনিক', দান্তে বলেছেন ‘জ্ঞানীদের শিক্ষক'। প্রায় আড়াই হাজার বছর অতিবাহিত হবার পরও চিন্তার ক্রমসম্প্রসারণশীল রাজ্যে এ্যারিস্টটলের মর্যাদার আসন বিপর্যস্ত দূরের কথা, বিপদগ্রস্তও হয়নি : জ্ঞানীদের শিক্ষক তিনি এখনো, কিন্তু দার্শনিক না বলে অধুনাতন পরিভাষায় তাঁকে বৈজ্ঞানিক বলাই শ্রেয়। তিনিই সম্ভবতঃ পৃথিবীর প্রথম বৈজ্ঞানিক সক্রেটিস যদি মানুষকে দর্শন শিখিয়ে থাকেন, এ্যারিস্টটল শিখিয়েছেন বিজ্ঞান। পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের প্রায় কোন কৌশলই যখন জানা ছিল না, যান্ত্রিক উপ- করণাদি যখন অনাবিষ্কৃত সেই কালে অসামান্য কৌতুহল নিয়ে তিনি বস্তুকে বিচার করেছেন বিশ্লিষ্ট করে ; মানুষের অন্তর্লোক থেকে সুরু করে তাঁর চোখ গেছে আকাশের নক্ষত্রলোক পর্যন্ত। রাজনীতির বিশ্লেষণ যেমন করেছেন তেমনি অনু- সন্ধান করেছেন নীতিশাস্ত্রের ভিত্তি ও প্রকৃতি। জীবদেহের সংগঠন যেমন নিরীক্ষণ করেছেন, তেমনি পর্যালোচনা করেছেন শিল্পতত্ত্বের ও বক্তৃতাবিজ্ঞানের। একদিকে তিনি শিক্ষা দিয়েছেন তার্কিক অবরোহন, অন্যদিকে বৈজ্ঞানিক অধিরোহন। তাঁর চরিত্রে বৈজ্ঞানিক কৌতুহলের সঙ্গে যোগ দিয়েছিল গ্রন্থপাঠে উৎসাহ : এ্যারিস্টটলই পৃথিবীর প্রথম বৈজ্ঞানিক।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 1969 সাহিত্য পত্রিকা

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.