রবীন্দ্রকাব্যে উপমা রূপক ও প্রতীক

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v13i1.4
Crossmark

Authors

Abstract

বর্তমান গবেষণা-প্রবন্ধের প্রধান উদ্দেশ্য উপমা, রূপক ও প্রতীকের যৌক্তিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে রবীন্দ্র কবিমানসের কয়েকটি মূল সূত্র অনুধাবন করা। অধ্যায়ে কাব্যবিচারে অলঙ্কার শাস্ত্রের কার্যকারিতা সম্বন্ধে আলোকপাত করা হয়েছে এবং সেই প্রেক্ষিতে উপমার রূপ-রীতি সম্বন্ধে বিস্তারিত আলোচনাও হয়েছে। দ্বিতীয় অধ্যায়ে রবীন্দ্র উপমার ক্রমবিকাশ এবং তৃতীয় অধ্যায়ে উপমার বিভিন্ন দিক ও বৈশিষ্ট্য সম্বন্ধে যথাসম্ভব দীর্ঘ বিশ্লেষণের অবতারনা হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের উপমা সম্বন্ধে বিদগ্ধ পণ্ডিতেরা অনেক কথা বলেছেন, অনেক বৈশিষ্ট্য তাঁরা দেখিয়েছেন ; কিন্তু কোন একটি আলোচনা আমরা পাইনা যাতে রবীন্দ্র উপমার ক্রমবিকাশ দেখানো হয়েছে, কিংবা তাঁর উপমা বৈশিষ্ট্যের সব দিকগুলো সূত্রাকারে গ্রথিত হয়েছে। বর্তমান গবেষণা-প্রবন্ধে রবীন্দ্র-উপমা বিশ্লেষণে স্বয়ংসম্পূর্ণতার প্রতি নজর দেওয়া হয়েছে। এই কারণে লক্ষ্য করা যাবে উপমা-রূপক-প্রতীক এই ত্রয়ী আলোচনায় উপমাই বেশীর ভাগ জায়গা জুড়ে বসে আছে। রবীন্দ্র কাব্যের রূপক ও প্রতীক সম্বন্ধে আলোচনা সবিশেষ হয়েছে, যাঁরা করেছেন তাঁরা সব বিদগ্ধ ব্যক্তি—এঁদের মধ্যে প্রথম বিশী, বুদ্ধদেব বসু ও সরোজ বন্দোপাধ্যায়ের নাম করা যেতে পারে। রূপক ও প্রতীক সম্বন্ধে তাঁদের আলোচনা রবীন্দ্র কবিমানসের স্বরূপের প্রতি সংকেতকৃত এবং সেদিক থেকে তাঁরা সার্থক। এই গবেষণা-প্রবন্ধের তৃতীয় অধ্যায়ে রবীন্দ্র কাব্যের রূপক ও প্রতীকের রূপরেখা শুধু আঁকা হয়েছে, বিস্তারিত বিবরণ সেখানে—অবশ্য পূর্বতন অধ্যায়ে উপমা-বিশ্লেষণের সাথে রূপক-প্রতীকের বিশ্লেষণও হয়েছে—সে জন্যে রূপক ও প্রতীকের পৃথক আলোচনা সংক্ষেপে সারা হয়েছে।

উপরের যেকোনো বিকল্প বেছে নিন

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.

Published

1969-06-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

রবীন্দ্রকাব্যে উপমা রূপক ও প্রতীক . (1969). সাহিত্য পত্রিকা, 13(1), 116-177. https://doi.org/10.62328/sp.v13i1.4

একই বিষয়ের আরও নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…

এই লেখকের অন্যান্য নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
0%