এক মোগল ক্রীতদাসের আত্মকাহিনী

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v14i2.2
Crossmark

Authors

Abstract

আঠারো শতকের মাঝামাঝি নাদির শাহের আক্রমণের পর দিল্লীর মোগল রাজশক্তি কি দ্রুততার সঙ্গে ভেঙ্গে পড়তে থাকে-তা ইতিহাস পাঠক মাত্রেরই জানা আছে৷ উত্তর ভারতে মারাঠা, জাট ও রোহিলাদের ক্ষমতাবিস্তার ও পারস্পরিক যুদ্ধবিগ্রহ এবং পাঞ্জাব ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্তে আবদালী আফগানদের উপর্যুপরি আক্রমণের দরুণ, সম্রাটের কর্তৃক প্রায় লোপ পেতে থাকে। মুহম্মদ শাহের মৃত্যুর দশ বৎসরের মধ্যে দুইজন দিল্লীর সিংহাসনে বসেন, দুইজনেই স্ব স্ব মন্ত্রীর দ্বারা অপসারিত ও নিহত হন। পরবর্ত্তী সম্রাট শাহ আলম দিল্লীতে স্বীকৃত হলেও ১১ বৎসর কাল ইংরাজের আশ্রয়ে এলাহাবাদে বাস করতে বাধ্য হন। ১৭৬১ সালে পানিপথের যুদ্ধে উত্তর ভারত থেকে মারাঠা শক্তি বিতাড়িত হলেও, কয়েক বৎসরের মধ্যেই সিন্ধিয়ার নেতৃত্বে তারা আবার ক্ষমতাশালী হয়ে ওঠে, এবং তাঁরই সাহায্যে ও পৃষ্টপোষকতায় শাহ্ আলম, ১৭৭২ সালে দিল্লীতে ফিরে এসে পিতৃ-সিংহাসনে বসেন। তার মূল্য-স্বরূপ সিন্ধিয়াকে প্রধান মন্ত্রী ও রাজ্যের সর্বেসর্বা করা সত্বেও, শাহ্ আলমের রাজ্যে শান্তি ফিরে এলো না; কয়েক বৎসর পরই রোহিলা-সর্দার গোলাম কাদেরের হাতে, নিজ পরিবার পরিজন সহ তাঁকে অকথ্য লাঞ্ছনা ও অত্যাচার সহ্য করতে হয়, এবং তাঁর দুই চক্ষু নষ্ট করে দেওয়া হয়। অন্যদিকে পাঞ্জাব, আবদালী সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়ে কাবুল, কান্দাহারের সাথে যুক্ত হয়ে যায় কিন্তু সেখানেও শাসন শৃঙ্খলা ফিরে আসেনি। এই ভাঙ্গনের সুযোগ নিয়ে শিখ সর্দারেরা ক্রমাগত-শক্তি সঞ্চয় করতে থাকে এবং আহমদ শাহ আবদালীর পৌত্র, জামান শাহের অনুগ্রহ লাভ করে, রণজিৎ সিং পাঞ্জাবে সর্ব-প্রধান হয়ে ওঠে এবং তার ফলে উনিশ শতকের গোড়ায় পাঞ্জাবে স্বাধীন শিখ রাজত্ব স্থাপিত হয়।

উপরের যেকোনো বিকল্প বেছে নিন

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.

Published

1970-12-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

এক মোগল ক্রীতদাসের আত্মকাহিনী . (1970). সাহিত্য পত্রিকা, 14(2), 94-116. https://doi.org/10.62328/sp.v14i2.2

একই বিষয়ের আরও নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…

এই লেখকের অন্যান্য নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
0%