মধুসূদনের কবিতার ছন্দ
Abstract
মধুসূদন বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার উদগাতা ৷ এই আধুনিকত৷ কাব্যাঙ্গিকে ও কাব্যানুভবে সমভাবে কবি সঞ্চার করেন। আঙ্গিকের দিক দিয়ে তাঁর বহুবিধ নতুন নিরীক্ষার সাফল্য উল্লেখযোগ্য। কবিতায় ‘অমিত্রাক্ষর ছন্দ' প্রবর্তনের ফলে বাংলা কবিতার শরীরে গতিশীলতা সঞ্চারিত হয়েছে; কবিতায় পঠনরীতিরও পরিবর্তন হয়েছে—আগে কবিতা পড়া হত সুর করে, মধুসূদনের পর উদাত্ত আবৃত্তিযোগ্য হয়ে উঠেছে বাংলা কবিতা। অমিত্রাক্ষর বা অমিল প্রবহমান অক্ষরবৃত্ত প্রয়োগের এক উদ্দেশ্য ছিল বাংলা ভাষায় নাট্যগতি সঞ্চার, নাটকে ব্যবহারযোগ্য ভাষা রচনা । তারই পরীক্ষা কবি করেছেন ‘পদ্মাবতী নাটকে’, ‘তিলোত্তমাসম্ভবে', 'মেঘনাদবধে' ও 'বীরাঙ্গনা'য়। কিন্তু ঐ ছন্দে কোনো পূর্ণাঙ্গ নাটক লেখা তাঁর পক্ষে সম্ভব হয়নি। তবে তাঁর ছন্দ-নিরীক্ষার সাফল্যের পথ ধরেই সে নাটক রচনা করেছেন রবীন্দ্রনাথ। 'বিসর্জনে'র অমিল প্রবহমান যতিস্বাধীন অক্ষরবৃত্ত মধুসূদনেরই ছন্দ-নিরীক্ষার অভিলষিত পরিণতি।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 1978 সাহিত্য পত্রিকা

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.