রবীন্দ্রনাথের উপন্যাসচিন্তা

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v22i1.3
Crossmark

Authors

Abstract

পরমসূক্ষ্ম সামঞ্জস্যচেতনা, চলমানতাবোধ, সর্বাস্তিবাদী ধর্মবিশ্বাস, বিশ্বজাগতিকতা, সমগ্রতা- বোধ, মানবপ্রেম ও নিরাসক্ত জীবনদৃষ্টি রবীন্দ্রপ্রতিভার অন্তর্লক্ষণ। তাঁর নিরাসক্তিচেতনা ও সমগ্রতাবোধ পরস্পরবিরোধী নয়, একে অপরের পরিপূরক। তিনি মানুষকে বিচার করতেন সমগ্র জীবন, দেশ, সমাজ, সময় ও সভ্যতার পরিপ্রেক্ষিতে; তার অস্তিত্বকে শ্রদ্ধা করে। রবীন্দ্রনাথ রূপায়িত করেছেন মানুষের অস্তিত্বের সঙ্কট ও সংঘর্ষ। তিনি কেবল মানুষের রূপকে দেখেননি, তার স্বরূপকে বিশ্লেষণ করেছেন। রবীন্দ্রনাথ কেবল ভাবসাধক ছিলেন না, তিনি ছিলেন রূপসাধক উপন্যাসের মধ্যে 'গণজীবনের বৃহত্তর সত্তার ব্যঞ্জনা মূর্তিলাভ করে, আবার কখনো ব্যক্তিজীবনের মুক্তিপ্রত্যাশা, অস্তিত্বকামনা সমাজজীবনের চারদেয়ালে মাথা খুঁড়ে মরে—এই উভয় সত্য রবীন্দ্রউপন্যাসে বর্তমান। একদিকে ‘গোরা' আর এক দিকে ‘চোখের বালি'। ঔপন্যাসিক রবীন্দ্রনাথের মুখ্য উদ্দেশ্য দেশ, সমাজ ও সময়শাসিত চরিত্রসমূহের অন্তস্তল উন্মোচন করা, তাদের স্বাতন্ত্র্য পরীক্ষা করা ও অন্তর্ভুক্ষণের নির্যাসশক্তি চিহ্নিত করা। এই চরিত্রসৃজনী ক্ষমতার এক প্রান্তে থাকে ‘অন্তর্পে রণার বহির্দেশের বস্তু অর্থাৎ বস্তুজগতের সমগ্রতা, অপরপ্রান্তে থাকে মানবজগতের বিস্ময় অন্তর্থ দেশ’—রবীন্দ্রনাথ এই দুইকেই মিলিয়েছেন।

উপরের যেকোনো বিকল্প বেছে নিন

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.

Published

1978-12-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

রবীন্দ্রনাথের উপন্যাসচিন্তা . (1978). সাহিত্য পত্রিকা, 22(1), 54-64. https://doi.org/10.62328/sp.v22i1.3

একই বিষয়ের আরও নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…

এই লেখকের অন্যান্য নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
0%