উপভাষাতত্ত্ব ও বাংলাদেশের উপভাষা বিশ্লেষণ
Abstract
ভাষা ও উপভাষার সীমারেখা সর্বদা স্পষ্ট নয়, যেমন নয় উপভাষা থেকে উপ- ভাষার পার্থক্য। উপভাষ৷ প্রধানতঃ ভাষার আঞ্চলিক বৈচিত্র্য বা রূপভেদ কিন্তু সামাজিক উপভাষার অস্তিত্বও গুরুত্বপূর্ণ। এক সময়ে ধারণা করা হত শিষ্ট বা ষ্ট্যাণ্ডার্ড ভাষাই বিশুদ্ধ আর আঞ্চলিক ভাষা বিকৃত বা অশুদ্ধ কিন্তু সে ধারণার অবসান হয়েছে। প্রকৃতপ্রস্তাবে কোন ভাষার শিষ্ট বা ষ্ট্যাণ্ডার্ড রূপ একটি সামাজিক উপভাষা বৈ নয়। সামাজিক, রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক কারণে কোন ভাষার একটি বিশেষ রূপ বিশেষ মর্যাদা পেয়ে থাকে, এবং সেটি শিষ্ট রূপে গৃহীত হয়। প্রায়শঃ ভাষার এই আধুনিক শিষ্ট রূপটি কৃত্রিম বা মিশ্রিত হয়ে থাকে : তুলনামূলকভাবে ভাষার আঞ্চলিক বা গ্রাম্য বা লোকরূপের মধ্যেই ভাষার প্রাচীন রূপ কিছুটা অবিকৃত থাকে। অর্থাৎ ভাষার পরিবর্তন শিষ্টরূপ অপেক্ষা আঞ্চলিকরূপে কম ঘটে থাকে। ভাষার ইতিহাস পুনর্গঠনে আঞ্চলিক রূপ বা উপভাষার বিশ্লেষণ ঐ জন্য প্রয়োজন হতে পারে।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 1978 সাহিত্য পত্রিকা

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.