বাংলা সাহিত্যে প্যারডি
Abstract
‘বাংলা সাহিত্যে প্যারডি' গ্রন্থখানা নানা কারণে আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। রচিয়তা সংস্কৃত শব্দ ‘লালিকা' গ্রহণ না করে প্যারডি ব্যবহারের জন্য আমাদের কৃতজ্ঞতাভাজন । কারণ অর্থ উদ্ধার প্রচেষ্টা হয়ত কোনও রসিক মনে প্যারডি রচনার প্রেরণা যোগাতো ৷ ড: লাহ৷ বাংলার বাইরে উড়িষ্যায় প্রবাসী বাঙালী। তাঁর ‘ধলভূমের লোকগীতি' (প্রথম খণ্ড : বাঁদনা), পাঠ করে আমি তাঁর সাহিত্য ও সংস্কৃতি জিজ্ঞাসু রসিক মনের পরিচয় পাই৷ বর্তমান গ্রন্থ আমার পরিচিতিকে দৃঢ়পিনদ্ধ করেছে। ভূমিকা রচনা করেছেন কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং প্রাক্তন অধ্যক্ষ শ্রী অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ তিনি গ্রন্থ খানার গুরুত্ব উল্লেখ করে লিখেছেন, 'এ-যেন ক্ষণিকের মনোরঞ্জনের ব্যাপার, দু-চার মুহূর্তের জন্য কৌতুকের বুদ্ সৃষ্টি করে মিলিয়ে যাওয়াই এর স্বভাবধর্ম—যাঁরা সদা-সর্বদা গভীর ব্যাপারে ব্যস্ত, তাঁদের দৃষ্টি প্যারডির মধ্যে শুধু হাল্কাভাব ও গভীরতাহীন রঙ্গ-কৌতুক, কোথাও বা বিষাক্ত ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ লক্ষ্য করে। তাঁদের অনেকেরই এ ছেলে খেলায় যোগ দেবার মত অবসরও ছিলনা, প্রবণতাও ছিলনা। অধ্যাপক অসিত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য সম্পর্কে কারও দ্বিমত পোষণের অবকাশ নেই। তবুও ড: চিত্তরঞ্জন লাহা এ ছেলেখেলাকে যখন জীবনসাধনার ব্রতরূপে গ্রহণ করেছেন তখন অধ্যাপক অসিত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ‘লেখক এই দুষ্কর কর্ম সমাধা করে বাংলা সাহিত্যের একটা বড় অভাব মোচন করেছেন, এ জন্য তাঁকে বাঙালী পাঠকের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানাই।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 1980 সাহিত্য পত্রিকা

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.