কুমিল্লা-উপভাষায় ব্যক্তিসব নামরূপের ধ্বনিগঠন ও রূপমূল্প-সমস্যার বিকল্পতত্ত্ব
Abstract
বর্ণনামূলক কিংবা ঐতিহাসিক ভাষাতত্ত্বের আলোচনায় উপভাষা প্রসঙ্গে ভাষাতাত্ত্বিকগণ এখন আগের তুলনায় অনেক বেশী সচেতন। বাংলা ভাষার আলোচনায়ও তাই এর যে-কোন উপভাষার গুরুত্বের কথা আমাদের সমভাবে ভাবতে হয়। বক্ষ্যমান আলোচনা কুমিল্লার স্থানীয় ভাষার একটি ধ্বনিতাত্ত্বিক-রূপতাত্ত্বিক সমস্যার ওপর নিবদ্ধ। অনুরূপ রূপমূল সন্ধানে পূর্বসূরীগণ বাংলা ভাষার ক্ষেত্রে স্বরসঙ্গতি-সূত্র ও তার বিকল্পে সন্ধি-সূত্রের কথা ভেবেছেন। বাংলা ভাষাভাষী ভূ-ভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক সীমান্তে কুমিল্লার উপভাষার ব্যবহার; এবং প্রায় আড়াই হাজার বর্গমাইল এলাকা জুড়ে এই অঞ্চলের লোকসংখ্যা আজ সার্ধ ৬০ লক্ষ। খরস্রোতা নদী, পার্বত্য উচল ভাঙ্গা ও মেঘনা নদীর বহু ব-দ্বীপ নিয়ে এর ভূ-সংস্থান। অতীতকাল থেকেই বহু রাজন্য ও ধর্মীয় সংস্কৃতির লীলাক্ষেত্ররূপে ‘সমতট’ বা ত্রিপুর-রাজ্যের প্রধান ভূমি কুমিল্লা কৃষ্টি-প্রেমীদের মনে প্রোজ্জ্বল হয়ে আছে। কুমিল্লা লোক-সংস্কৃতিতেও উন্নত এবং দরবারের বহু পুর-কীর্ত্তি আজ কিংবদন্তীর অমর আশ্রয়ে ধন্য। পূর্বসূরীগণের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে এই উপভাষার ‘ধ্বনিতত্ত্ব' নিয়ে আমি অন্যত্র আলোচনা করেছি। বর্তমান নিবন্ধে কুমিল্লার সর্বনামপদে মধ্যমপুরুষের গঠনব্যাখ্যা প্রসঙ্গে আমরাদেখবো, এর বিভিন্ন রূপমূল বা বৈচিত্র্যের মুলে রূপতাত্ত্বিক গঠনরীতির বিকল্প ধ্বনিতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যও বিদ্যমান।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 1981 সাহিত্য পত্রিকা

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.